রক্তশুন্য আধমরা এই পৃথিবীর বুকে আমি স্ট্যাচু অব লিবার্টি,
প্রজ্জ্বলিত মশাল হাতে দাঁড়িয়ে পৃথিবীর ধ্বংসের প্রহর গুণি।
এখানে ইট পাথরে ভাগাড়ে কাকেদের বিজয়োল্লাস চলে,
বিরামহীন যান্ত্রিক চিৎকার প্রমাণ পৃথিবীর বেঁচে থাকা;
এখানে দাউ দাউ আগুনে ছত্রভঙ্গ হয় সবুজের বন্ধুত্ব ,
সাদা রঙগুলো গলে গলে খেলে দখল বেদখলের খেলা।
জীর্ণ, ভগ্ন দেহগুলো সীমাবদ্ধতার বেড়ী পায়ে জড়িয়ে ছুটে চলে প্রাণপণ,
তারপর একদিন অসীম ভালোবাসা নিয়ে লুটিয়ে পড়ে পৃথিবীর বুকে।
স্বেচ্ছাসেবক হয়ে রক্তহীন পৃথিবীকে দান করে একরাশ লাল ভালোবাসা,
ওরা আগুনের জ্বালানী হয়, ভাগাড়ের বিয়োজক হয় স্বেচ্ছায়।
মানবিক জঞ্জালের স্তুপের ওপর ভিড় জমায় আরেকটি দল ,
পথে আসতে আসতে ধুলোয় ধূসরিত করে ধরণীর কালো চোখ ।
এদের ভুঁড়ির নিচে চাপা পড়া নৈতিকতায় জমে ছত্রাকের লাশ,
নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধে নির্মল বাতাস যেন পালিয়ে গিয়ে বাঁচে।
মাঝে মাঝে দু একটা মানুষের বাচ্চাও আসে এই ধুলোর পৃথিবীতে,
সময়ের সাথে সমানুপিতিক হারে পৃথিবী রক্ষার যুদ্ধটা রূপ নেয় আত্মরক্ষায়,
তারপর একদিন হুট করেই চলে আসে সেই মহেন্দ্রক্ষণ,
একজীবন যুদ্ধের অবসান ঘটে স্বেচ্ছাসেবকের দলে আরেকটা নাম হয়ে।