কুলু কুলু বয়ে চলে গাঁয়ের অজয় নদী
বইছে অজয় আপন বেগে (চতুর্থ পর্ব)
কলমে- লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী
অজয়ের নদীচরে সোনালি রোদ্দুর ঝরে
কুলু কুলু বইছে অজয়,
নদীপাড়ে তরুশাখে কিচিমিচি পাখি ডাকে
সুশীতল সমীরণ বয়।

বধূরা কলসী কাঁখে জল নিয়ে নদী থেকে
ঘরে চলে রাঙাপথ ধরে,
দেখি গ্রাম সীমানায় দূরে কাঞ্চন ডাঙায়
গরু মহিষের দল চরে।
শাল পিয়ালের বনে বাজে বাঁশি ঘনে ঘনে
পাখি গায় মহুলের ডালে,
আদিবাসী সাঁওতাল হয়ে বেহুঁশ মাতাল
নাচে গায় মাদলের তালে।
রাঙা মেঘ ভেসে চলে নীল গগনের তলে
উড়ে চলে পাহাড়ের চুড়ে।
একতারা লয়ে হাতে ভক্তদাস পথে হাঁটে
গায় গায় সুমধুর সুরে।
অজয়ের নদীতীরে বেলা বাড়ে ধীরে ধীরে
দিনশেষে সন্ধ্যা আসে নেমে,
জ্বলে দীপ গাঁয়ে দূরে শঙ্খধ্বনি তার সুরে
সাঁঝের সানাই যায় থেমে।