কবি ও ক্ষুধা

কবি তাঁর সামনে রাখা ছোট মগের দিকে
বরফ মেশানো অনুভূতি আর,
খরচ মেশানো ক্ষুধা নিয়ে তাকিয়ে থাকেন কিছুক্ষণ।
তাঁর এই দৃষ্টি ফিরে আসে-
হলুদ আলো ভাসে মস্তিষ্কে,
শক্তি-সঞ্চারক, মুখরোচক, পুষ্টি-দায়ক
সব অদ্ভুত শব্দ এসে ভীড় করে কোষে কোষে;
তাঁকে খেতে হবে, যেতে হবে পথে
খুঁজতে হবে উত্তর কিছু, খাবার পাওয়ার আশায়।
নাকি কিছু করবেন বিক্রি ? কবির বিক্রি করার কিছু নেই!
বিক্রি হয়ে যাবার মত কেউ নন।

দৃষ্টি এখন তাই ছোট মগের ভিতর,
মেশানো বরফ গলে
মগের তল চুঁইয়ে, গড়িয়ে পড়ে কবিতায়।

কবিতাটা জলে ভেজানো কোন খাবারের মত লাগে,
মুখে পুরে খানিকটা চিবোনোর ভান-
স্বাদ-গ্ৰন্থিগুলো প্রতারনা করে না,
শরীরের অঙ্গ গুলো কখনো প্রতারনা করে না –
কবি তাই বসেন ক্ষুধার্ত
অসাড় পাকস্থলী আর সংকুচিত খাদ্যনালী –
তাঁর সাথী।

0.00 avg. rating (0% score) - 0 votes